
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump তিন দিনের সরকারি সফরে চীনে পৌঁছেছেন। গত এক দশকের মধ্যে এটি কোনো মার্কিন শীর্ষ নেতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চীন সফর হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বুধবার এয়ারফোর্স ওয়ানে করে Beijing পৌঁছান ট্রাম্প। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনীতির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
সফরের অংশ হিসেবে গ্রেট হল অব দ্য পিপলে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা এবং ঝোংনানহাই পরিদর্শনের সূচি রয়েছে, যেখানে চীনের শীর্ষ নেতৃত্বের দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
মূলত গত মার্চে এই সফর হওয়ার কথা থাকলেও, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর তা স্থগিত করা হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান সংকট এবং সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে চীনের বাড়তে থাকা কূটনৈতিক ভূমিকা এবারের বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হতে পারে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার আগে Donald Trump বলেছেন, ইরান প্রসঙ্গে তার Xi Jinping–এর সহায়তার প্রয়োজন নেই।
এ ছাড়া বাণিজ্য, প্রযুক্তি খাত এবং তাইওয়ান ইস্যুতেও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা গুরুত্ব পেতে পারে।
ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Truth Social–এ জানিয়েছেন, তিনি চীনের বাজার বড় মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আরও উন্মুক্ত করার আহ্বান জানাবেন। এ সফরে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীরাও তার সঙ্গে রয়েছেন।
অন্যদিকে, বেইজিংয়ের প্রধান অগ্রাধিকার হতে পারে গত অক্টোবরের ‘বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি’ চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো। ওই সমঝোতা দুই দেশের মধ্যে শুল্ক বৃদ্ধি নিয়ে তৈরি হওয়া উত্তেজনা সাময়িকভাবে কমাতে ভূমিকা রেখেছিল।
বিষয়: দেশী বার্তা চীন ডোনাল্ড ট্রাম্প