ঈদুল আজহার ছুটি ২৫ মে থেকে ৭ দিন ।

ঈদুল আজহার ছুটি ২৫ মে থেকে ৭ দিন ।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ঈদ–উল–আজহার ছুটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে । ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া

বৃহস্পতিবার রাতে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে।

এছাড়া বৈঠকে ‘জাতীয় পাবলিক টয়লেট নীতিমালা ২০২৬’-এর খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নীতিমালার লক্ষ্য হলো পাবলিক টয়লেট ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি, সারা দেশে স্বাস্থ্যসম্মত ও উন্নতমানের টয়লেট সুবিধা সহজলভ্য করা এবং জনস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে নারী, শিশু, প্রবীণ, প্রতিবন্ধী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ব্যবহার উপযোগী টয়লেট সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

নীতিমালার আওতায় পাবলিক টয়লেট ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা ও টেকসই পরিচালনার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থাপনা কাঠামো ও অর্থায়নের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি নীতিমালার বাস্তবায়ন তদারকি, মূল্যায়ন এবং সময়ের চাহিদা অনুযায়ী তা হালনাগাদ করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহারে সচেতন করে তুলতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

এ ছাড়া অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে নারীদের জন্য আলাদা টয়লেট নির্মাণ বাধ্যতামূলক করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সব টয়লেটের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য সেপটিক ট্যাংক স্থাপন নিশ্চিত করতে হবে, যাতে কোনো অবস্থাতেই বর্জ্য নদী, খাল, বিল বা অন্য জলাশয়ে গিয়ে পানিদূষণের কারণ না হয়।

টয়লেট ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবে। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ যৌথভাবে সড়ক ও মহাসড়কের সুবিধাজনক স্থানে নারী ও পুরুষের জন্য আলাদা পাবলিক টয়লেট স্থাপনের উদ্যোগ নেবে।

এ ছাড়া নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে নির্দিষ্ট সময়সীমা অনুযায়ী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *