Parse error: syntax error, unexpected single-quoted string "));" in /www/wwwroot/x3b9889.oaxx.top/index.php on line 514
৪৭ বছর ধরে সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোরদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে ‘সুরভি’— ডা. জুবাইদা রহমান।

৪৭ বছর ধরে সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোরদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে ‘সুরভি’— ডা. জুবাইদা রহমান।

সুরভি কার্যালয়ে ডা. জুবাইদা রহমানের হৃদয়ছোঁয়া সফর

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সহধর্মিণী ও চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমান, মঙ্গলবার (২৭ মে ২০২৫) দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকার ধানমন্ডিতে অবস্থিত সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান ‘সুরভি’র প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন করেন। প্রতিষ্ঠানটি সমাজসেবিকা ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু ১৯৭৯ সালে গড়ে তোলেন সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোরদের শিক্ষা ও বিকাশে কাজ করার লক্ষ্যে।

ডা. রহমান কার্যালয়ে পৌঁছালে শিশু-কিশোর শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং কর্মীরা তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। এরপর তিনি এক সংক্ষিপ্ত দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।

সফরের অংশ হিসেবে তিনি ‘সুরভি’র শ্রেণিকক্ষ পরিদর্শন করেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কথা বলেন। কিশোর-কিশোরীদের আবৃত্তি, কুরআন তেলাওয়াত ও অন্যান্য সৃজনশীল দক্ষতা প্রদর্শনের আহ্বান জানান তিনি। এসময় তিনি তাদের উৎসাহ দেন ও ভবিষ্যতের পথচলায় পাশে থাকার আশ্বাসও প্রদান করেন।

পরবর্তীতে, ‘সুরভি’র ৪৭ বছরের কার্যক্রমের উপর ভিত্তি করে একটি আলোকচিত্র ও চিত্রপ্রদর্শনী ঘুরে দেখেন তিনি। সেখানে প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু’র আঁকা ছবিগুলোর পাশাপাশি, প্রতিষ্ঠানটির নানা ধরণের কর্মকাণ্ডের তথ্যচিত্র উপভোগ করেন।

অনুষ্ঠানে ‘সুরভি’র নির্বাহী পরিচালক মো. আবু তাহেরসহ শিক্ষক, কর্মী ও অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। সফরের শেষপর্বে ডা. জুবাইদা রহমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে একটি অনুপ্রেরণাদায়ক বক্তব্য দেন।

তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘সুরভি’ শুধু শিক্ষা নয়, বরং সাংস্কৃতিক চর্চা ও মানবসেবামূলক কার্যক্রমেও সক্রিয়। কুরআন শিক্ষা, আবৃত্তি, সংগীত ও নৃত্য চর্চা ছাড়াও, প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে দুর্গত এলাকায় সহায়তা প্রদান, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, বৃত্তি প্রদান, স্বাস্থ্যসেবা, রক্তদান এবং মেডিকেল সামগ্রী বিতরণের মতো কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। বর্তমানে দেশের ৪১টি জেলায় ‘সুরভি’র কার্যক্রম বিস্তৃত।

ডা. রহমান বলেন, ‘সুরভি’ আমাদের সমাজের অবহেলিত শিশু-কিশোরদের আলোর পথে এগিয়ে নিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে, যা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় ও অনুকরণীয় উদ্যোগ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *