
বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে এই তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত তথ্য সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।
গত বছরের ২০ অক্টোবর থেকে বিচারকাজ থেকে বিরত থাকা ১২ জন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতির মধ্যে মো. আখতারুজ্জামানও রয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত তথ্যে উল্লেখ করা হয়, প্রধান বিচারপতির নির্দেশে ওই ১২ জন বিচারপতিকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে একজন পদত্যাগ করেছেন, দুইজন স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ পাননি, আর দুইজন ইতোমধ্যে অবসর নিয়েছেন।
বাকি সাতজন বিচারপতির বিষয়ে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। তাঁদের মধ্যে চারজনের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান কার্যক্রম চলছে, আর তিনজনের বিষয়ে চলছে প্রাথমিক অনুসন্ধান।
এদিকে, অনুসন্ধান কার্যক্রম চলা সাতজন বিচারপতির মধ্যে একজনকে ইতোমধ্যে অপসারণ করা হয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৬-এর দফা (৬) অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি খিজির হায়াতকে ১৮ মার্চ তাঁর পদ থেকে অপসারণ করেছেন রাষ্ট্রপতি।
বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। এ বিষয়ে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে এই নির্দেশনার বিষয়টি প্রকাশ করা হয়।
গত বছরের ২০ অক্টোবর থেকে বিচারকাজ থেকে বিরত থাকা ১২ বিচারপতির মধ্যে মো. আখতারুজ্জামানও রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন বিচারপতি পদত্যাগ করেছেন, দুইজন স্থায়ী নিয়োগ পাননি, দুইজন অবসর নিয়েছেন এবং বাকি সাতজনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের অনুসন্ধান চলমান।
এর আগে, গত বছরের ১৬ অক্টোবর আওয়ামী লীগের ‘ফ্যাসিস্ট’ বিচারপতিদের পদত্যাগের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন হাইকোর্ট ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে। একই দিনে বৈষম্যবিরোধী আইনজীবী সমাজ ‘দলবাজ ও দুর্নীতিবাজ’ বিচারপতিদের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে। জাতীয় নাগরিক কমিটির লিগ্যাল উইং–ও ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ বিচারপতিদের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করে।
এর আগে, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের তদন্তের ভিত্তিতে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি খিজির হায়াতকে ১৮ মার্চ তাঁর পদ থেকে অপসারণ করেছেন রাষ্ট্রপতি।
বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে এ তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
গত বছরের ২০ অক্টোবর থেকে বিচারকাজ থেকে বিরত থাকা ১২ বিচারপতির মধ্যে মো. আখতারুজ্জামানও রয়েছেন। তবে তখন সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষ এ বিচারপতিদের নাম প্রকাশ করেনি। পরে, গত ১৬ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা জানান, হাইকোর্ট বিভাগের ১২ বিচারপতিকে কোনো বেঞ্চ দেওয়া হচ্ছে না।
সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের তদন্ত ও বিচারপতি অপসারণ
গত ৬ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যে জানানো হয়, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৬(৫)(বি) অনুসারে রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের কয়েকজন বিচারপতির বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন, যা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল বাস্তবায়ন করবে।
২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকার বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে নিতে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আনে। তবে হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগ এই সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করেন। পরবর্তী সময়ে, ২০১৭ সালে রাষ্ট্রপক্ষ রিভিউ আবেদন করলে আপিল বিভাগ ২০২৩ সালের ২০ অক্টোবর রায় দেন, যা সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭ ও ৮ উপ-অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করে। এর ফলে বিচারকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া পুনর্বহাল হয়।
সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল প্রধান বিচারপতি ও জ্যেষ্ঠ দুই বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত হয় এবং এর মাধ্যমে বিচারকদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগ তদন্ত করা হয়।