
আবদুল হান্নান মাসউদ বলেন, “গত রাতে নোয়াখালীর এসপি ও ডিসি আমাকে ফোন দিয়ে বলেছিলেন— ‘টাংকির ঘাট, হাতিয়া যাওয়া আপনার জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। সেখানে অনেক সন্ত্রাসী আছে, আপনার ওপর হামলা হতে পারে। আমরা আপনাকে যেতে নিষেধ করছি।’ তবে আমি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছি, আমার জীবনে যা হওয়ার হোক, আমি যাবই। কারণ আমি আগেই কথা দিয়ে গেছি।”
তিনি আরও বলেন, “ওসি সাহেবও আমাকে ফোন দিয়ে জানান, তিনি ছুটিতে থাকায় হাতিয়ায় নেই। তিনি থাকলে আমার সঙ্গে থেকে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতেন। কিন্তু আমি বলেছি, আমার কোনো আলাদা নিরাপত্তার দরকার নেই। আমি মোহাম্মদ আলীর সময় এখান থেকে লড়াই করে বড় হয়েছি, হাতিয়ার মানুষই আমার নিরাপত্তা দেবে। আমি তাদের সঙ্গেই থেকে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করব।”
এ সময় তিনি হাতিয়ার স্থানীয় রাজনীতি ও উন্নয়ন প্রসঙ্গে বলেন, “মোহাম্মদ আলী গ্রেপ্তার হওয়ার পর অনেকেই চট্টগ্রাম বা ভোলা থেকে এসে নিজেদের হাতিয়ার সন্তান হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন। কেউ কেউ বালু ও মাটির ব্যবসা শুরু করে নদীর পাড় কেটে মাটি বিক্রি করছেন। অথচ আমি মন্ত্রণালয়ে দৌড়ঝাঁপ করছি ব্লক ও রাস্তা নির্মাণের জন্য। আর কিছু মানুষ রাস্তা ধ্বংসের কাজ করছে। যেই প্লেটে খায়, সেই প্লেটেই ছিদ্র করে— এটা সত্যিই দুঃখজনক।”
এর আগে, নদীভাঙন রোধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে আবদুল হান্নান মাসউদ নলের চর ভূমিহীন বাজার এলাকায় স্থানীয় মানুষের সঙ্গে আলোচনা করেন। এছাড়া, দরবেশ বাজার ও প্রকল্প এলাকায় গিয়ে গরিব-দুঃখী মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের সমস্যার কথা শোনেন।