জুলাই গণ-অভ্যুত্থানবিরোধী অবস্থানের কারণে রুয়েটের এক শিক্ষক ও দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট)ফাইল ছবি

জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের বিরোধিতা ও অনুপস্থিতির অভিযোগে রুয়েটের এক শিক্ষক ও দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) এক শিক্ষক ও দুই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া, আন্দোলন দমনে সংশ্লিষ্টতা এবং কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে তাদের এই সিদ্ধান্তের আওতায় আনা হয়।

আজ বৃহস্পতিবার উপাচার্য এস এম আবদুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ১০৮তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সন্ধ্যায় রুয়েটের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) এক শিক্ষক ও দুই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বরখাস্ত হওয়া শিক্ষক হলেন রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সিদ্ধার্থ শংকর সাহা, যিনি রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা। বরখাস্ত হওয়া অন্য দুই কর্মকর্তা হলেন সহকারী প্রকৌশলী ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নাঈম রহমান (নিবিড়) এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ডেটা প্রসেসর কর্মকর্তা ও নগরের শাহ মখদুম থানা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মহিদুল ইসলাম।

সিন্ডিকেট সভা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া, নির্যাতন-সহিংসতায় সম্পৃক্ততা এবং সরকারি দলের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখার অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি, ৫ আগস্টের পর বিনা অনুমতিতে দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণে সিন্ডিকেট সভায় তাঁদের বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) এক শিক্ষক ও দুই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বরখাস্ত হওয়া শিক্ষক হলেন রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সিদ্ধার্থ শংকর সাহা, যিনি রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা। অন্য দুই কর্মকর্তা হলেন সহকারী প্রকৌশলী ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নাঈম রহমান (নিবিড়) এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ডেটা প্রসেসর কর্মকর্তা ও নগরের শাহ মখদুম থানা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মহিদুল ইসলাম।

সিন্ডিকেট সভা সূত্রে জানা গেছে, বরখাস্ত নাঈম রহমান ও মহিদুল ইসলাম গত ৪ আগস্ট ধারালো অস্ত্রসহ রুয়েটের প্রধান ফটক দিয়ে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের হত্যার উদ্দেশ্যে ধাওয়া ও বোমা হামলায় অংশ নেন। এছাড়া, ইতিপূর্বে বরখাস্ত শিক্ষক সিদ্ধার্থ শংকর সাহা জুলাই আন্দোলনবিরোধী অবস্থান নিয়ে আহত ও নিহতদের অবমাননা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাঁকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন এবং বরখাস্তের দাবিতে আন্দোলনসহ প্রশাসনের কাছে আবেদন করেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া, নির্যাতন-সহিংসতায় সম্পৃক্ততা এবং সরকারি দলের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখার অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি, ৫ আগস্টের পর বিনা অনুমতিতে দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণে সিন্ডিকেট সভায় তাঁদের বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।