ইউরোপের ৫৫ দেশের বিশ্বকাপ বয়কটের ঘোষণা

তৎকালীন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এক মামলায় ২৪ মার্চ ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য উন্মোচন করেছেন।

জবানবন্দিতে তিনি বলেন, সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের গভীর সম্পর্ক ছিল। আসাদুজ্জামান খান কামাল হারুনকে ‘জিন’ নামে ডাকতেন এবং তাকে সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে রাজনৈতিকভাবে কার্যকর মনে করতেন।

জুলাই আন্দোলনের সময় কোর কমিটির বৈঠকে আন্দোলনের সমন্বয়কদের আটক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই সময় হারুন অর রশীদ ও ডিজিএফআইয়ের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের আটক করে মানসিক নির্যাতনসহ নানা চাপ প্রয়োগ করা হয়। আন্দোলন প্রত্যাহারের জন্য সমন্বয়কদের টেলিভিশনে বিবৃতি দিতে বাধ্য করা হয়। আইজিপি হিসেবে চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন, তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে তারা আটক হন।

জবানবন্দিতে তিনি আরও জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় নিয়মিতভাবে পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা অফিসিয়াল মিটিংয়ের বাইরেও আসা-যাওয়া করতেন।

এছাড়া, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে অনিয়ম, গুম ও খুনের বিষয়েও সাবেক এই পুলিশ প্রধান বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সম্প্রতি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে সম্পূর্ণ সত্য প্রকাশের শর্তে রাজসাক্ষী হওয়ার অনুমতি দিয়েছে।