বঙ্গবন্ধু সেতু ও টানেলের নাম পরিবর্তন
বঙ্গবন্ধু সেতু এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ট্যানেলের নাম পরিবর্তন করে যথাক্রমে ‘যমুনা সেতু’ এবং ‌‘কর্ণফুলী টানেল’ রাখা হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে, সেতু বিভাগ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অধীনস্থ ১২টি মহাসড়ক ও সেতুর নাম পরিবর্তন করেছে। এর মধ্যে ৪টি মহাসড়ক এবং ৮টি সেতু অন্তর্ভুক্ত। নাম পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্ত বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) সেতু বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. তবিবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানানো হয়, যা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।

নাম পরিবর্তিত মহাসড়ক ও সেতুগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু হলো:

  • মহাসড়ক:
    • মুন্সিগঞ্জ সড়ক বিভাগের ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক্সপ্রেসওয়ে’ এখন ‘ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে’ নামে পরিচিত হবে।
    • সিলেট সড়ক বিভাগের ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মহাসড়ক’ এর নতুন নাম ‘সিলেট জেলার বিমানবন্দর বাইপাস ইন্টারসেকশন-লালবাগ-সালুটিকর-কোম্পানীগঞ্জ-ভোলাগঞ্জ জাতীয় মহাসড়ক’।
  • সেতু:
    • পিরোজপুরের বলেশ্বর নদের ওপর নির্মিত ‘শহীদ শেখ ফজলুল হক মনি সেতু’ এখন ‘ইন্দুরকানি সেতু’ নামে পরিচিত হবে।
    • পিরোজপুরের কচা নদীর ওপর নির্মিত ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু’ এর নতুন নাম ‘বেকুটিয়া সেতু’।

এছাড়া, চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত দেশের প্রথম টানেল থেকে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল’ এর নামফলক সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। গত ৭ আগস্ট ২০২৪ তারিখে এই নামফলক সরানোর কাজ সম্পন্ন হয়।

উল্লেখ্য, যমুনা নদীর ওপর ৪.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘বঙ্গবন্ধু সেতু’ ১৯৯৮ সালের জুন মাসে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। অন্যদিকে, চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে দেশের প্রথম টানেলটি ২০২৩ সালের অক্টোবরে উদ্বোধন করা হয়।