মার্কিন ট্রাম্পের সঙ্গে তুলনা করায় 'মন ভালো নেই' বাংলার ট্রাম্পের: ইরান

আন্তর্জাতিক গণিত ও জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে পদকজয়ী ছয় কৃতি শিক্ষার্থীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। আজ সোমবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে তিনি শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা শোনেন এবং তাদের সমস্যা সম্পর্কে জানতে চান।

আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডে ব্রোঞ্জ পদক জয় করা শিক্ষার্থীরা হলেন:

প্রধান উপদেষ্টা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, “তোমাদের আগ্রহ দেখে আমরা অনুপ্রাণিত হলাম। তোমাদের এই প্রচেষ্টা প্রশংসার দাবিদার।”

বৈঠকে উপস্থিত বিভিন্ন অলিম্পিয়াড কমিটির সদস্যরা তাদের অভিজ্ঞতা ও কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ জানান, এ বছর প্রথম ধাপে প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষার্থী অনলাইনে অংশ নেয়, যার মধ্যে ২৫ হাজার পরের ধাপে উত্তীর্ণ হয়। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রস্তুতির জন্য তাদের ক্যাম্পিং ও প্রবলেম সলভিং ক্লাস করানো হয়।

তিনি জানান, রেজিস্ট্রেশন ফি, থাকা ও যাতায়াতসহ সব খরচ ব্যক্তিগত উদ্যোগে জোগাড় করা হয়। একটি বেসরকারি ব্যাংক আর্থিক সহায়তা দিলেও তা পর্যাপ্ত নয়। একই কথা জানান বাংলাদেশ জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াড কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. রাখহরি সরকার। তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের বাছাইকরণ, পরীক্ষা ও প্রস্তুতির সব কাজ আমাদের স্বেচ্ছাসেবকরা নিজেদের চাঁদা তুলেই করে থাকেন।”

শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার বলেন, “১১১টি দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে একজন শিক্ষার্থী গোল্ড মেডেল পেয়েছে, এটি আমাদের জন্য গর্বের।” তিনি মনে করেন, শিক্ষার্থীদের আরও বেশি যত্ন ও উৎসাহ দিলে তারা আরও ভালো করবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী আর্থিক সমস্যার কারণে প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি নিতে ঢাকায় আসতে পারে না।

সবকিছু শোনার পর প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস বলেন, “আপনারা স্বেচ্ছায় যে ধরনের উদ্যোগ নিয়েছেন, তা খুবই ইতিবাচক। মেধাবীদের বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে এবং তাদের উৎসাহিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে কী ধরনের সহযোগিতা করা যায়, তা খতিয়ে দেখা হবে।”